😄 বাংলা কৌতুক

বাংলা কৌতুক — ১৫০+ সেরা Bangla Jokes ও হাসির কৌতুক (২০২৬)

মন ভালো করার মতো বাছাই করা বাংলা কৌতুক ও bangla funny jokes — ছাত্র-শিক্ষক, স্বামী-স্ত্রী, ডাক্তার-রোগী ও বন্ধুদের নিয়ে পরিষ্কার হাসির কৌতুকের সংগ্রহ। এক ক্লিকে কপি করার সুবিধাসহ।

📝 মোট ১৫৫টি লেখা⏱️ ১৭ মিনিট পড়াপছন্দের লেখাটি কপি বা শেয়ার করুন
বাংলা কৌতুক — ১৫০+ সেরা Bangla Jokes ও হাসির কৌতুক (২০২৬)

দিনটা যতই খারাপ যাক, একটা ভালো কৌতুক পড়লে মুখে হাসি চলে আসে। সমস্যা হলো, বন্ধুদের গ্রুপে পাঠানোর মতো একটা কৌতুক খুঁজতে গেলে হয় পুরনো লেখাগুলোই ঘুরে ফিরে আসে, নয়তো এমন কিছু আসে যেটা কাউকে পাঠানো যায় না।

এই পোস্টে তাই সাজিয়ে রাখলাম ১৫০+ বাংলা কৌতুক, সবগুলোই পরিষ্কার। কারও ধর্ম, পেশা, অঞ্চল বা চেহারা নিয়ে খোঁচা দেওয়া কোনো কৌতুক এখানে নেই — পরিবারের সবার সামনে পড়া যায় এমন লেখাই রেখেছি।

নিচে এগারোটি ভাগ পাবেন — সাধারণ কৌতুক, মজার ও হাসির কৌতুক, ছাত্র-শিক্ষক, স্বামী-স্ত্রী, ডাক্তার-রোগী, বন্ধুদের নিয়ে এবং ছোটদের জন্য আলাদা সংগ্রহ। প্রতিটির পাশে কপি বাটন আছে, এক ক্লিকেই তুলে নিতে পারবেন।

বাংলা কৌতুক (Bangla Jokes)

বাংলা কৌতুক (Bangla Jokes)

যেকোনো আড্ডায় বলার মতো সাধারণ কৌতুক — ছোট, আর সবাই বুঝবে।

বস: তুমি অফিসে ঘুমাচ্ছ কেন? কর্মচারী: স্যার, বাসায় তো ঘুমানোর সময় পাই না — সারারাত অফিসের চিন্তা করি!

ক্রেতা: এই ঘড়িটা কি পানিরোধক? দোকানদার: অবশ্যই। শুধু ভিজলে বন্ধ হয়ে যায়, এটুকুই।

মা: সারাদিন মোবাইল টিপছিস কেন? ছেলে: চার্জ শেষ হলে থামব। মা: তাহলে চার্জারটা লুকিয়ে ফেলি? ছেলে: পাওয়ার ব্যাংক আছে, মা।

রিকশাওয়ালা: মামা, ভাড়া ৫০ টাকা। যাত্রী: এত কাছে ৫০? রিকশাওয়ালা: কাছেই তো, তাই কম নিলাম!

এক বন্ধু: আমি কখনো মিথ্যা বলি না। আরেক বন্ধু: এইমাত্র বললি তো।

দোকানদার: এই চালটা একদম নতুন। ক্রেতা: কত নতুন? দোকানদার: এত নতুন যে এখনো ভাত হতে শেখেনি।

স্যার: ঘড়ি আবিষ্কার হলো কেন? ছাত্র: দেরি করার অজুহাত মাপার জন্য, স্যার।

স্ত্রী: তুমি আমার কথা শোনো না কেন? স্বামী: শুনি তো, শুধু মনে রাখতে পারি না।

যাত্রী: বাস কখন ছাড়বে? কন্ডাক্টর: ভরে গেলেই। যাত্রী: আর কখন ভরবে? কন্ডাক্টর: ছাড়ার আগ পর্যন্ত ভরে না, ছাড়ার পর ভরে যায়।

ছেলে: বাবা, টাকা গাছে ধরে না কেন? বাবা: ধরলে তো সবাই মালী হয়ে যেত।

বন্ধু: তুই এত রোগা কেন? আমি: চিন্তা করে করে। বন্ধু: কীসের চিন্তা? আমি: রোগা হয়ে যাচ্ছি, সেই চিন্তা।

মালিক: তোমার কুকুরটা কি কামড়ায়? পথচারী: না। (কুকুর কামড় দিল) পথচারী: বললেন না কামড়ায় না! মালিক: এটা আমার কুকুর নয় তো।

শিক্ষক: পৃথিবী গোল, প্রমাণ করো। ছাত্র: আমি তো বলিনি চ্যাপ্টা, প্রমাণ আপনি দিন স্যার।

স্ত্রী: আজ কী রান্না করব? স্বামী: যা ইচ্ছা। স্ত্রী: 'যা ইচ্ছা' রান্না করতে পারি না, রেসিপি জানি না।

গ্রাহক: এই পাউরুটিটা কি তাজা? দোকানদার: আজ সকালেই এসেছে। গ্রাহক: কোন সকাল? দোকানদার: কোনো একটা সকাল তো ছিলই।

বাবা: তুমি সারাদিন কী করো? ছেলে: কিছু না। বাবা: গতকালও তো তাই করেছিলে! ছেলে: হ্যাঁ, এখনো শেষ হয়নি।

যাত্রী: এই বাস কি সদরঘাট যায়? কন্ডাক্টর: যায়। যাত্রী: কতক্ষণ লাগবে? কন্ডাক্টর: উঠে পড়ুন, নামার সময় বলে দেব।

বাংলা মজার কৌতুক (Bangla Funny Jokes)

বাংলা মজার কৌতুক (Bangla Funny Jokes)

একটু বড়, একটু গল্পের মতো — পড়তে ভালো লাগবে।

এক লোক ডাকঘরে গিয়ে বলল, চিঠিটা খুব জরুরি, দ্রুত পৌঁছাতে হবে। কর্মচারী: ঠিকানা কোথায়? লোক: পাশের বাসায়। কর্মচারী: হেঁটে দিয়ে আসুন, ওটাই দ্রুততম।

বন্ধু: তোর নতুন চাকরি কেমন? আমি: দারুণ, বসকে দেখতেই হয় না। বন্ধু: কেন? আমি: চাকরিটা এখনো পাইনি।

এক ছেলে দোকানে গিয়ে বলল, একটা ভালো ছাতা দিন। দোকানদার: এটা নিন, বৃষ্টিতে একদম ভেজে না। ছেলে: আর রোদে? দোকানদার: রোদে তো বৃষ্টিই হয় না!

মা: পরীক্ষা কেমন হলো? ছেলে: দুইটা প্রশ্ন ভুল হয়েছে। মা: বাকিগুলো? ছেলে: বাকিগুলো তো লিখিইনি।

স্যার: তোমার বাড়ির কাজ কোথায়? ছাত্র: স্যার, বাড়িতে। স্যার: বাড়িতে কেন? ছাত্র: নাম তো বাড়ির কাজ, স্কুলের কাজ নয়।

এক লোক ডাক্তারের কাছে গিয়ে বলল, আমি সব ভুলে যাই। ডাক্তার: কবে থেকে? লোক: কীসের কথা বলছেন?

দুই বন্ধু হাঁটছে। প্রথম: দেখ, ওই দোকানে লেখা — সব কিছু ২০ টাকা। দ্বিতীয়: চল, একটা ফ্রিজ কিনে আনি। (দোকান ছিল ঝালমুড়ির)

স্বামী: আজ অফিসে খুব প্রশংসা পেয়েছি। স্ত্রী: কী বলল? স্বামী: বলল, তুমি ছাড়া অফিসটা অনেক শান্ত থাকে।

এক ছেলে দেরি করে ক্লাসে ঢুকল। স্যার: এত দেরি কেন? ছেলে: রাস্তায় জ্যাম ছিল স্যার। স্যার: তুমি তো হেঁটে আসো! ছেলে: হাঁটার রাস্তাতেও জ্যাম ছিল, স্যার।

ক্রেতা: এই মাছটা টাটকা তো? বিক্রেতা: টাটকা মানে? এখনো সাঁতার কাটতে চাইছে। ক্রেতা: তাহলে নড়ছে না কেন? বিক্রেতা: বিশ্রাম নিচ্ছে।

বন্ধু: তোর ফোনের ব্যাটারি এত ভালো কীভাবে? আমি: সহজ — ফোনটা ব্যবহারই করি না।

মা: বাজার থেকে কী আনলি? ছেলে: যা যা মনে ছিল। মা: তালিকাটা কোথায়? ছেলে: সেটাই আনতে ভুলে গিয়েছিলাম।

এক লোক ব্যাংকে গিয়ে বলল, আমার অ্যাকাউন্টে কত টাকা আছে? কর্মচারী: শূন্য। লোক: তাহলে এতদিন মেসেজ পাঠাতেন কেন? কর্মচারী: আশা দিতে।

শিক্ষক: বলো তো, সবচেয়ে দ্রুত কী চলে? ছাত্র: টিফিনের সময়, স্যার।

এক লোক দর্জির কাছে গিয়ে বলল, জামাটা কবে পাব? দর্জি: আগামী সপ্তাহে। লোক: গত মাসেও তাই বলেছিলেন। দর্জি: দেখুন, কথা তো একই রেখেছি।

বন্ধু: তোর ঘড়িটা তো বন্ধ। আমি: জানি। বন্ধু: তাহলে পরিস কেন? আমি: দিনে দুইবার তো ঠিক সময় দেখায়, ওটুকুই যথেষ্ট।

স্ত্রী: তুমি বাজার থেকে কী আনলে? স্বামী: যা লিস্টে ছিল। স্ত্রী: লিস্টে তো দশটা জিনিস ছিল! স্বামী: হ্যাঁ, আর আমি একটা এনেছি — লিস্টেই ছিল তো।

সেরা বাংলা কৌতুক (Best Bangla Jokes)

সেরা বাংলা কৌতুক (Best Bangla Jokes)

যেগুলো শুনে সবাই একবার হেসেই ফেলে।

স্ত্রী: তুমি কি আমাকে আগের মতো ভালোবাসো? স্বামী: হ্যাঁ, একদম আগের মতোই। স্ত্রী: তার মানে বাড়েনি? স্বামী: আমি তো ফাঁদটা দেখেই ফেলেছি।

বস: তুমি কেন দেরি করে এসেছ? কর্মচারী: স্যার, আপনি বলেছিলেন কাজে দেরি না করতে। আমি তো কাজেই দেরি করিনি, শুধু আসতে দেরি করেছি।

ছেলে: বাবা, আমি বড় হয়ে কী হব? বাবা: সেটা তো তোমার রেজাল্ট ঠিক করবে। ছেলে: তাহলে আমি আশাবাদী থাকব না।

এক লোক পুলিশের কাছে গিয়ে বলল, আমার মোবাইল চুরি হয়েছে। পুলিশ: কোথায় হারিয়েছে? লোক: জানলে তো নিজেই খুঁজে নিতাম।

শিক্ষক: পানির অপর নাম কী? ছাত্র: জীবন, স্যার। শিক্ষক: আর জীবনের অপর নাম? ছাত্র: পরীক্ষা, স্যার।

বন্ধু: তুই এত দেরিতে ঘুম থেকে উঠিস কেন? আমি: সকালটা নষ্ট করতে চাই না, তাই দেখিই না।

ক্রেতা: এই আমটা মিষ্টি তো? দোকানদার: চিনির চেয়েও মিষ্টি। ক্রেতা: তাহলে চিনি বেচেন না কেন? দোকানদার: চিনি আম হতে পারে না তো।

স্ত্রী: তুমি আমার জন্মদিন ভুলে গেছ! স্বামী: ভুলিনি তো। স্ত্রী: তাহলে উপহার কোথায়? স্বামী: উপহারের কথাটাই ভুলে গেছি, জন্মদিন না।

ডাক্তার: প্রতিদিন হাঁটুন। রোগী: কতক্ষণ? ডাক্তার: আধা ঘণ্টা। রোগী: কোন দিকে?

স্যার: এই প্রশ্নের উত্তর তোমার আর পাশের ছেলের একদম এক! ছাত্র: স্যার, আমরা তো একই বই পড়ি।

মা: তুই আবার ভাঙলি! ছেলে: না মা, আমি শুধু ধরেছিলাম, ভাঙাটা ওর নিজের সিদ্ধান্ত।

বন্ধু: তোর স্বপ্ন কী? আমি: শান্তিতে ঘুমানো। বন্ধু: সেটা তো স্বপ্ন নয়, ঘুম। আমি: সেটাই তো পাই না।

গ্রাহক: এই পাখাটা কত জোরে ঘোরে? দোকানদার: এত জোরে যে চুল উড়ে যাবে। গ্রাহক: আমার তো চুল নেই। দোকানদার: তাহলে চিন্তাই নেই।

স্যার: তুমি পরীক্ষায় ফেল করলে কেন? ছাত্র: স্যার, প্রশ্নগুলো বইয়ের বাইরে থেকে এসেছিল। স্যার: কিন্তু তুমি তো বইও পড়োনি! ছাত্র: তাই তো বললাম, বাইরে থেকেই এসেছিল।

বন্ধু: তুই কি জানিস, হাসলে আয়ু বাড়ে? আমি: তাহলে তোকে দেখে আমি অমর হয়ে যাব।

বাংলা হাসির কৌতুক (Bangla Hasir Jokes)

বাংলা হাসির কৌতুক (Bangla Hasir Jokes)

ছোট দুই-তিন লাইনের কৌতুক — মেসেজে পাঠানোর জন্য সবচেয়ে সহজ।

আয়না বলল: তুমি সুন্দর। আমি বললাম: মিথ্যা বলছ। আয়না: তুমিও তো রোজ বলো ডায়েট শুরু করবে।

আমার ওজন বাড়েনি, শুধু মাধ্যাকর্ষণ শক্তি আমাকে বেশি পছন্দ করছে।

পরীক্ষার হলে সবচেয়ে কঠিন প্রশ্ন — 'নিজের নাম লিখুন' লেখার পরেরটা।

আমি সময়মতো কাজ করি, শুধু সময়টা একটু পরে আসে।

ঘুম আর আমি — সম্পর্কটা একতরফা।

টাকা জমাচ্ছি। এখন পর্যন্ত জমানোর সিদ্ধান্তটা জমেছে।

ডায়েট শুরু করেছিলাম। বিরিয়ানি সেটা মেনে নেয়নি।

আমি অলস নই, শুধু শক্তি সঞ্চয় মোডে আছি।

মোবাইল খুঁজতে গিয়ে দেখি সেটা দিয়েই টর্চ জ্বালিয়েছি।

সকালে ওঠা একটা শিল্প। আমি বিজ্ঞানের ছাত্র।

বই খুললেই ঘুম আসে — বিজ্ঞান এখনো এর ব্যাখ্যা দিতে পারেনি।

আমার স্মৃতিশক্তি দারুণ, শুধু ব্যবহার করতে ভুলে যাই।

আমি ব্যায়াম করি — প্রতিদিন সিদ্ধান্ত নিই, প্রতিদিন বাতিল করি।

আমার আলমারিতে দুই ধরনের জামা — যেগুলো ছোট হয়ে গেছে, আর যেগুলো হবে।

চশমা খুঁজছিলাম আধা ঘণ্টা। চোখেই ছিল।

সময় টাকার মতো — দুটোই আমার কাছে থাকে না।

বাংলা কমেডি কৌতুক (Bangla Comedy Jokes)

বাংলা কমেডি কৌতুক (Bangla Comedy Jokes)

একটু নাটকীয়, পড়লে দৃশ্যটা চোখে ভাসে।

এক লোক রেস্তোরাঁয় বলল, ওয়েটার, স্যুপে মাছি! ওয়েটার: চিন্তা করবেন না স্যার, ও সাঁতার জানে।

গ্রাহক: এই টিভিটা কত দিন চলবে? দোকানদার: যতদিন বিদ্যুৎ থাকবে। গ্রাহক: আর বিদ্যুৎ না থাকলে? দোকানদার: তাহলে গল্প করবেন, ওটাও তো বিনোদন।

বিচারক: আপনি চুরি করেছেন কেন? আসামি: খিদে পেয়েছিল স্যার। বিচারক: কিন্তু আপনি তো একটা বই চুরি করেছেন! আসামি: জ্ঞানের খিদে ছিল, স্যার।

নাপিত: চুল কেমন কাটব? খদ্দের: চুপচাপ কাটুন, কথা বলবেন না। নাপিত: বেশ। (কাঁচি চালাতে চালাতে) তো ভাই, কোথায় থাকেন?

এক লোক ট্রেনে উঠে বলল, এটা কি ঢাকা যাবে? যাত্রী: না, চট্টগ্রাম। লোক: ভালোই হলো, আমার ঢাকা যাওয়ার কথা ছিল না।

স্ত্রী: তুমি রান্নাঘরে কী করছ? স্বামী: রান্না করছি। স্ত্রী: কী রান্না? স্বামী: পরিকল্পনা।

শিক্ষক: বলো তো, চাঁদে গেলে কী নিয়ে যাবে? ছাত্র: ফেরার টিকিট, স্যার।

ফটোগ্রাফার: হাসুন! আমি: হাসছি তো। ফটোগ্রাফার: ও, আমি ভেবেছিলাম রাগ করেছেন।

গ্রাহক: এই জুতাটা কতদিন টিকবে? দোকানদার: হাঁটাহাঁটির উপর নির্ভর করে। গ্রাহক: হাঁটব না, শুধু পরে বসে থাকব। দোকানদার: তাহলে আজীবন।

এক লোক লিফটে উঠে বোতাম খুঁজছে। পাশের জন: কোন তলা? লোক: যেটায় নামলে অফিস থাকবে না।

স্যার: এই খাতায় কিছুই লেখোনি কেন? ছাত্র: স্যার, পরিবেশ রক্ষা করছি — কালি বাঁচালাম।

বন্ধু: তোর বাসা চিনব কীভাবে? আমি: গেটে একটা কুকুর আছে। বন্ধু: আর কুকুর না থাকলে? আমি: তাহলে বুঝবি ভুল বাসা।

গ্রাহক: এই ছবিটা এত দামি কেন? বিক্রেতা: শিল্পী মারা গেছেন। গ্রাহক: কবে? বিক্রেতা: এখনো না, তবে দাম শুনে হয়তো আজই।

এক লোক দোকানে গিয়ে বলল, একটা আয়না দিন। দোকানদার: এটা নিন, সব দেখা যায়। লোক: সত্যি বলে তো? দোকানদার: বড্ড বেশি সত্যি বলে, ওটাই সমস্যা।

শিক্ষক: বলো তো, বৃষ্টি হয় কেন? ছাত্র: ছাতা বিক্রি বাড়ানোর জন্য, স্যার।

ছাত্র ও শিক্ষকের কৌতুক

ছাত্র ও শিক্ষকের কৌতুক

ক্লাসরুমের কৌতুক — স্কুল-কলেজের দিনগুলো মনে পড়িয়ে দেয়।

স্যার: হোমওয়ার্ক করোনি কেন? ছাত্র: স্যার, বিদ্যুৎ ছিল না। স্যার: মোমবাতি জ্বালাতে পারতে। ছাত্র: দিয়াশলাইও ছিল না, স্যার।

শিক্ষক: গণিত সহজ, শুধু মন দিতে হয়। ছাত্র: তাহলে স্যার, মন দিলাম — অঙ্কটা আপনি করে দিন।

স্যার: তোমার খাতায় এত কাটাকুটি কেন? ছাত্র: ভুল শোধরাচ্ছিলাম স্যার। স্যার: কিন্তু কিছুই তো লেখোনি! ছাত্র: শুরুতেই ভুল হয়ে গিয়েছিল।

শিক্ষক: বলো, ইতিহাস কেন পড়তে হয়? ছাত্র: যাতে ভবিষ্যতে ভুল করলে বলতে পারি — এটা আগেও হয়েছে।

স্যার: তুমি ক্লাসে মনোযোগ দাও না কেন? ছাত্র: দিই তো স্যার, শুধু জানালার দিকে।

শিক্ষক: পরীক্ষায় নকল করলে কী হয়? ছাত্র: ধরা পড়লে শাস্তি, না পড়লে পাশ।

স্যার: এই অঙ্কটা বুঝেছ? ছাত্র: জি স্যার। স্যার: তাহলে বোর্ডে করো। ছাত্র: বুঝেছি স্যার, পারি বলিনি তো।

শিক্ষক: তোমার বাবা কী করেন? ছাত্র: আমার রেজাল্ট নিয়ে চিন্তা করেন, স্যার।

স্যার: ছুটির ঘণ্টা বাজলে তোমরা এত দ্রুত বেরোও কেন? ছাত্র: স্যার, এটাই একমাত্র বিষয় যেটা আমরা ভালো পারি।

শিক্ষক: বইটা কোথায়? ছাত্র: ব্যাগে। শিক্ষক: ব্যাগ কোথায়? ছাত্র: বাসায়। শিক্ষক: আর তুমি? ছাত্র: আপাতত এখানে, স্যার।

স্যার: পড়ালেখা না করলে ভবিষ্যতে কী হবে? ছাত্র: অতীত হয়ে যাবে, স্যার।

শিক্ষক: তোমরা কেউ প্রশ্ন করছ না কেন? ছাত্র: স্যার, উত্তরই তো জানি না, প্রশ্ন করব কী?

স্যার: এই ছেলেটা ঘুমাচ্ছে কেন? বন্ধু: স্যার, ও আপনার ক্লাসকে সম্মান করে — একদম শান্ত থাকে।

শিক্ষক: পরীক্ষা কেমন দিলে? ছাত্র: ভালোই স্যার, খাতাটা সাদা রেখেছি — পরিবেশবান্ধব।

স্যার: তুমি কি ক্লাসে মনোযোগ দিচ্ছ? ছাত্র: দিচ্ছি স্যার। স্যার: তাহলে আমি এইমাত্র কী বললাম? ছাত্র: 'তুমি কি ক্লাসে মনোযোগ দিচ্ছ?'

শিক্ষক: তোমার খাতায় বাবার সই কই? ছাত্র: স্যার, বাবা বলেছেন সই দেওয়ার আগে রেজাল্টটা ঠিক করতে।

স্যার: বিজ্ঞান কী শেখায়? ছাত্র: প্রশ্ন করতে, স্যার। স্যার: তাহলে প্রশ্ন করো। ছাত্র: ছুটি কখন, স্যার?

শিক্ষক: তুমি বইটা উল্টো ধরে আছ কেন? ছাত্র: স্যার, সোজা করে ধরেও তো কিছু বুঝছিলাম না।

স্বামী-স্ত্রীর কৌতুক

স্বামী-স্ত্রীর কৌতুক

সংসারের হালকা মজা — কাউকে ছোট না করে।

স্বামী: আজ তোমাকে খুব সুন্দর লাগছে। স্ত্রী: কী চাই বলো। স্বামী: এই যে, এজন্যই প্রশংসা করি না।

স্ত্রী: তুমি রান্না শিখবে কবে? স্বামী: যেদিন তুমি আমার রান্না খেতে রাজি হবে। স্ত্রী: তাহলে কোনোদিনই না।

স্বামী: চলো আজ বাইরে খাই। স্ত্রী: দারুণ! স্বামী: তুমি রান্না করে দাও, আমি বারান্দায় বসে খাব।

স্ত্রী: আমার নতুন শাড়িটা কেমন? স্বামী: সুন্দর। স্ত্রী: কোনটা বেশি সুন্দর, শাড়ি না আমি? স্বামী: প্রশ্নটা সুন্দর।

স্বামী: আমি তোমার সব কথা শুনি। স্ত্রী: তাহলে গতকাল কী বলেছিলাম? স্বামী: শুনেছি বললাম, মুখস্থ করেছি বলিনি।

স্ত্রী: তুমি আমাকে কখনো ফুল দাও না। স্বামী: ফুল তো শুকিয়ে যায়। স্ত্রী: তাহলে গয়না দাও, ওটা শুকায় না। স্বামী: ফুলই ভালো।

স্বামী: আজ অফিসে অনেক কাজ ছিল। স্ত্রী: কী কাজ? স্বামী: বাসায় ফেরার পরিকল্পনা।

স্ত্রী: তুমি কি কখনো ভুল স্বীকার করবে? স্বামী: করেছি তো — তোমাকে তর্কে হারানোর চেষ্টা করাটাই আমার ভুল।

স্বামী: চা বানাও তো। স্ত্রী: নিজে বানাও। স্বামী: তুমি বানালে স্বাদ ভালো হয়। স্ত্রী: এই কথাটা রান্নার সময়ও বোলো।

স্ত্রী: আমাদের বিয়ের কত বছর হলো মনে আছে? স্বামী: অবশ্যই। স্ত্রী: বলো। স্বামী: মনে আছে, বলতে পারব বলিনি।

স্বামী: আমি আজ থেকে ডায়েট শুরু করব। স্ত্রী: রাতের খাবার কী দেব? স্বামী: ডায়েট কাল থেকে।

স্ত্রী: তোমার সাথে কথা বলে লাভ নেই। স্বামী: এই কথাটার সাথে আমি একমত। স্ত্রী: এখনই একমত হতে হলো?

স্ত্রী: আমাকে ছাড়া তুমি কী করতে? স্বামী: বেঁচে থাকতাম, তবে খেতে পেতাম না।

স্বামী: আজ আমি বাসন ধোব। স্ত্রী: সত্যি? স্বামী: হ্যাঁ, কালকের কথা বলছি।

স্ত্রী: তুমি সারাদিন ফোনে কী দেখো? স্বামী: রান্নার ভিডিও। স্ত্রী: তাহলে রান্না করছ না কেন? স্বামী: এখনো শেখা শেষ হয়নি।

ডাক্তার ও রোগীর কৌতুক

ডাক্তার ও রোগীর কৌতুক

চেম্বারের কৌতুক — ছোট, কিন্তু হাসি নিশ্চিত।

রোগী: ডাক্তার সাহেব, আমি ঘুমাতে পারি না। ডাক্তার: বিছানায় শুয়ে ভেড়া গুনুন। রোগী: গুনতে গুনতে ভোর হয়ে যায়, ভেড়া শেষ হয় না।

ডাক্তার: আপনার ওষুধ দিনে তিনবার খাবেন। রোগী: খাবারের আগে না পরে? ডাক্তার: খাবার থাকলে পরে, না থাকলে ওটাই খাবার।

রোগী: ডাক্তার, আমার সব ভুলে যাওয়ার রোগ। ডাক্তার: কতদিন ধরে? রোগী: কোন রোগের কথা বলছেন?

ডাক্তার: চিন্তা করবেন না, আপনি একদম সুস্থ। রোগী: তাহলে এত ওষুধ কেন? ডাক্তার: সুস্থ থাকার জন্য।

রোগী: ডাক্তার সাহেব, বাঁচব তো? ডাক্তার: অবশ্যই বাঁচবেন। রোগী: কতদিন? ডাক্তার: বিলটা দেখার পর বলব।

ডাক্তার: আপনার হাঁটাচলা বাড়াতে হবে। রোগী: করছি তো, দিনে দশবার ফ্রিজ পর্যন্ত যাই।

রোগী: আমার গলা ব্যথা। ডাক্তার: কম কথা বলুন। রোগী: সেটা তো সম্ভব না, আমি শিক্ষক। ডাক্তার: তাহলে ব্যথাটাও থাকবে।

ডাক্তার: ধূমপান ছাড়তে হবে। রোগী: ছেড়েছি তো। ডাক্তার: কবে? রোগী: প্রতিদিন সকালে।

রোগী: ডাক্তার, আমি সবাইকে অগ্রাহ্য করি। ডাক্তার: ... রোগী: কিছু বলছেন না কেন? ডাক্তার: বলে কী লাভ, আপনি তো অগ্রাহ্য করবেন।

ডাক্তার: রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমাবেন। রোগী: চেষ্টা করি, কিন্তু ফোনটা রাজি হয় না।

রোগী: এই ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কী? ডাক্তার: টাকা কমে যাওয়া।

ডাক্তার: আপনার সমস্যা কী? রোগী: কেউ আমার কথা বিশ্বাস করে না। ডাক্তার: সত্যি নাকি?

রোগী: ডাক্তার সাহেব, আমার হাত তুললে ব্যথা করে। ডাক্তার: তাহলে হাত তুলবেন না। রোগী: এই পরামর্শের জন্য ফি কত? ডাক্তার: হাত নামিয়েই দিন।

ডাক্তার: আপনি মিষ্টি খাওয়া বন্ধ করুন। রোগী: একদম বন্ধ? ডাক্তার: হ্যাঁ। রোগী: তাহলে বাঁচব কীসের আশায়?

রোগী: ডাক্তার, আমি রাতে ঠিকমতো ঘুমাই না। ডাক্তার: দিনে ঘুমান নাকি? রোগী: হ্যাঁ, সারাদিন। ডাক্তার: তাহলে সমস্যাটা কোথায়?

বন্ধুদের নিয়ে কৌতুক

বন্ধুদের নিয়ে কৌতুক

গ্রুপে পাঠিয়ে ট্যাগ করে দেওয়ার মতো কৌতুক।

বন্ধু: আমার কাছে ৫০০ টাকা ধার আছে তোর। আমি: ছিল। এখন তো বন্ধুত্ব আছে।

বন্ধু: চল আজ পড়তে বসি। আমি: চল। (দুই ঘণ্টা পর) বন্ধু: কী পড়লি? আমি: তোর মুখের ভাব।

বন্ধু: তুই আমাকে কখনো ফোন দিস না। আমি: তুইও তো দিস না। বন্ধু: আমি তো অভিযোগ করছি, তুই কেন করছিস?

বন্ধু: ট্রিট কবে দিবি? আমি: বেতন পেলে। বন্ধু: চাকরি কবে পাবি? আমি: প্রশ্নটা এখানেই আটকে আছে।

বন্ধু: তুই কি আমার সাথে সৎ? আমি: না। বন্ধু: এটাই তো সততা! আমি: ওটাও মিথ্যা ছিল।

বন্ধু: তোর জন্য জান দিতে পারি। আমি: ৫০০ টাকা দে। বন্ধু: জান চাইলি না কেন?

বন্ধু: তুই এত দেরি করলি কেন? আমি: তুই তো আরও দেরিতে এসেছিস। বন্ধু: আমি দেরি করব জেনেই দেরি করেছি — এটা পরিকল্পনা।

বন্ধু: আমার নতুন ছবিটা কেমন? আমি: ফিল্টারটা দারুণ। বন্ধু: আর আমি? আমি: ফিল্টারের নিচে আছিস তো।

বন্ধু: চল হাঁটতে যাই, স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। আমি: চল। বন্ধু: কোথায় যাবি? আমি: রেস্তোরাঁয়।

বন্ধু: তোর মতো অলস মানুষ দেখিনি। আমি: দেখতে হলে তো উঠতে হবে, ওটাই তো আমি করি না।

বন্ধু: গোপন কথা বলি, কাউকে বলিস না। আমি: বলব না। (পরদিন পুরো গ্রুপ জানে) বন্ধু: তুই বললি? আমি: আমি না, আমার আঙুল।

বন্ধু: পরীক্ষার আগের রাতে কী করিস? আমি: সিলেবাস দেখে আফসোস করি।

বন্ধু: তোকে একটা কথা বলব, রাগ করবি না তো? আমি: বল। বন্ধু: থাক, রাগ করবি।

বন্ধু: চল আজ কিছু একটা করি। আমি: কী করব? বন্ধু: সেটাই তো ভাবছি। (তিন ঘণ্টা পর দুজনেই ঘুমিয়ে গেল)

বন্ধু: তোর ফোনটা একটু দে। আমি: কেন? বন্ধু: আমারটা হারিয়ে গেছে, ফোন দিয়ে খুঁজব। আমি: তোর ফোনে তো সাইলেন্ট।

ছোটদের জন্য কৌতুক

ছোটদের জন্য কৌতুক

একদম সহজ ও নিরীহ কৌতুক — বাচ্চাদের সাথে পড়া যায়।

মা: হাত ধুয়েছ? ছেলে: হ্যাঁ। মা: সাবান দিয়ে? ছেলে: প্রশ্নটা তো আগে করোনি।

শিক্ষক: এক আর এক মিলে কত হয়? ছাত্র: এগারো, ম্যাডাম।

ছেলে: মা, আমি বড় হয়ে পাখি হব। মা: কেন? ছেলে: তাহলে স্কুলে যেতে হবে না, উড়ে বেড়াব।

মেয়ে: বাবা, চাঁদ আমাদের সাথে সাথে আসে কেন? বাবা: হয়তো ও-ও রাস্তা চেনে না।

শিক্ষক: বলো তো, বরফ গলে কী হয়? ছাত্র: দেরি হয়ে যায়, ম্যাডাম।

ছেলে: মা, আমাকে একটা ভাই এনে দাও। মা: এত সহজ নয়। ছেলে: তাহলে একটা বিড়াল দাও, ওটাই চলবে।

মেয়ে: বাবা, তুমি ছোটবেলায় কী ছিলে? বাবা: ছোট।

শিক্ষক: তুমি কেন হোমওয়ার্ক করোনি? ছাত্র: ম্যাডাম, খাতাটা লুকিয়ে ছিল, খুঁজে পাইনি।

ছেলে: মা, মশা কামড়ায় কেন? মা: রক্ত খায় তাই। ছেলে: তাহলে আমাকে বেশি কামড়ায় কেন? মা: তুমি মিষ্টি বেশি খাও।

মেয়ে: মা, আমি বড় হয়ে গেছি! মা: কীভাবে বুঝলে? মেয়ে: এখন আলমারির উপরের চকলেটটা দেখতে পাই।

ছেলে: মা, আমার পেট ব্যথা। মা: খালি পেটে থাকলে ব্যথা করে। ছেলে: তাহলে স্যারেরও নিশ্চয়ই ব্যথা — তার মাথা তো একদম খালি।

শিক্ষক: তুমি কেন কাঁদছ? ছাত্রী: ম্যাডাম, পাশের ছেলেটা আমার পেন্সিল ভেঙেছে। শিক্ষক: ইচ্ছা করে? ছাত্রী: না, আমি ওর মাথায় মেরেছিলাম তো।

কৌতুক শেয়ার করার আগে

কৌতুক শেয়ার করার আগে

কৌতুক হাসানোর জিনিস, কাউকে ছোট করার নয়। কয়েকটা কথা মাথায় রাখলে হাসিটা সবার হবে।

আরও লেখা দরকার হলে দেখতে পারেন হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাস বাংলা অথবা বাংলা এসএমএস পোস্টটি।

  • কারও ধর্ম, অঞ্চল, পেশা, চেহারা বা পরিবার নিয়ে কৌতুক এড়িয়ে চলুন — এগুলো হাসায় না, আঘাত করে।

  • গ্রুপে পাঠানোর আগে ভাবুন কারা আছেন; পরিবারের গ্রুপে আর বন্ধুদের গ্রুপে একই কৌতুক মানায় না।

  • একই কৌতুক বারবার ফরোয়ার্ড করলে সেটা আর মজার থাকে না।

  • কৌতুক বলার সময় শেষ লাইনটাই আসল — তাড়াহুড়ো করে বলে ফেলবেন না।

  • কেউ হাসেনি মানে কৌতুকটা খারাপ নয়, হয়তো সময়টা ঠিক ছিল না।

  • কারও ব্যক্তিগত ঘটনা নিয়ে কৌতুক বানাবেন না, তিনি সামনে না থাকলেও নয়।

শেষ কথা

একটা ছোট কৌতুক কারও পুরো দিনটা বদলে দিতে পারে। এই সংগ্রহ থেকে যেটা আপনার ভালো লাগে, সেটা বন্ধুদের পাঠিয়ে দিন — হাসি ভাগ করলে কমে না, বাড়ে। নতুন কৌতুক যোগ হয় প্রতি সপ্তাহে।

সাধারণ কিছু প্রশ্ন

এই কৌতুকগুলো কি সবার সামনে পড়া যাবে?

হ্যাঁ। এই পোস্টের সব কৌতুক ইচ্ছাকৃতভাবে পরিষ্কার রাখা হয়েছে — কারও ধর্ম, পেশা, অঞ্চল বা চেহারা নিয়ে খোঁচা দেওয়া কোনো লেখা এখানে নেই। পরিবারের সবার সামনে পড়ার মতো।

কৌতুকগুলো কি ফ্রিতে ব্যবহার করা যাবে?

হ্যাঁ, সব কৌতুক এই সাইটের জন্যই লেখা এবং বিনামূল্যে ব্যবহার করা যাবে। প্রতিটির পাশে কপি বাটন আছে, এক ক্লিকে তুলে নিয়ে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ বা মেসেঞ্জারে পাঠাতে পারবেন।

ফেসবুকে পোস্ট করার জন্য কেমন কৌতুক ভালো?

ছোট, দুই-তিন লাইনের কৌতুকই সবচেয়ে ভালো কাজ করে, কারণ ফিডে স্ক্রল করার সময় কেউ লম্বা লেখা পড়ে না। উপরের বাংলা হাসির কৌতুক ভাগটি এই ধরনের লেখার জন্যই সাজানো।

কৌতুক বলার সময় কী খেয়াল রাখা উচিত?

শেষ লাইনটাই কৌতুকের প্রাণ, তাই সেটা তাড়াহুড়ো করে বলবেন না। আর শ্রোতা কারা সেটা মাথায় রাখুন — বন্ধুদের আড্ডায় যেটা চলে, পরিবারের সামনে সেটা না-ও মানাতে পারে।

নতুন কৌতুক কত দিন পর পর যোগ হয়?

প্রতি সপ্তাহে নতুন বাংলা কৌতুক যোগ করা হয়। তাই মাঝে মাঝে ঘুরে দেখলে নতুন সংগ্রহ পাবেন।

পোস্টটি ভালো লেগেছে?বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন
BanglaSMSWorld সম্পাদনা দল

বাংলা ভাষায় মনের কথা সুন্দর করে বলার জন্য আমরা যত্ন নিয়ে প্রতিটি লেখা বাছাই করি। নতুন সংগ্রহ যুক্ত হয় প্রতি সপ্তাহে।